দিন দিন ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘গত বছর এই সময়ে অনেক ভালো ছিল ডেঙ্গু পরিস্থিতি। কিন্তু এবার আশঙ্কাজনক হারে রোগী বাড়ছে। এ বছর ডেঙ্গুতে ইতিমধ্যে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ১২ হাজার লোক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত প্রায় আড়াই হাজার লোক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্ত রোগীদের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব রোগীকে যথাযথ চিকিৎসা দিতে চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসার যে প্রটোকল আছে, যে নিয়মনীতি আছে, তা বিভিন্নভাবে উন্নত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে আমাদেরও সতর্ক থাকতে হবে। এখন থেকে যদি আমরা সতর্ক না হই, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে।’
এ বছর ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বেশি, কারণ মশা বেড়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় দিনই বৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে পানি আটকে আছে, সেখানে মশা জন্ম নিচ্ছে, লার্ভা হচ্ছে। এটা কমানোর একমাত্র উপায় হলো মশা কমানো। মশা কম হলে কামড়াবে কম। এতে মানুষ আক্রান্ত হবে কম।’
ডেঙ্গু মোকাবিলা করে চলছি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাকে মশা নিধনে বেশি বেশি স্প্রে করার আহ্বান জানাচ্ছি। যেখানে পানি জমে থাকে, সেই পানি সরিয়ে ফেলতে হবে। বিশেষ করে বাড়িঘরের আঙিনায় জমে থাকা পানি। আরেকটি দিক হলো, যেখানে বহুতল ভবন আছে, সেই ভবনেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি দেখা দিচ্ছে। যেসব নির্মাণাধীন ভবন আছে, সেখানে পানি জমে থাকে। সেখান থেকেই ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা ও লার্ভা জন্ম নিচ্ছে। যার যার বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার করতে হবে এবং যেখানে মশা জন্ম নেয় সেখানে স্প্রে করে লার্ভাগুলোকে ধ্বংস করতে হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব কুমার সাহা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবছার সরকার ও জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বাবুল সরকার।